বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

‘বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা গড়তে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’

‘বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা গড়তে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার’

০৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮

নিউজ ডেস্ক

facebook sharing button
twitter sharing button
sharethis sharing button
whatsapp sharing button

শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করা, শেখার ঘাটতি দূর করা এবং বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে বিনামূল্যে ইউনিফর্ম বিতরণ, প্রযুক্তিনির্ভর শ্রেণিকক্ষ, নতুনভাবে পুনর্বিন্যাসকৃত কারিকুলাম, শিক্ষক উন্নয়ন নীতিমালা এবং বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে একযোগে কাজ চলছে।

সোমবার ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন শেষে আগারগাঁও তালতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান কারিকুলামকে আরও সহজ, কার্যকর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক করে পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে। একইসঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রশিক্ষণ, পেশাগত উন্নয়ন, কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন, দায়িত্ব, তদারকি এবং উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কাঠামোকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সমন্বিত শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে চলছে।

তিনি জানান, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভিডিও লেসন, স্মার্ট ক্লাসরুম, ফ্ল্যাট প্যানেল, তাৎক্ষণিক মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীর শেখার ঘাটতি চিহ্নিত করে পুনরায় শেখানোর আধুনিক ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়; শিক্ষার গুণগত মানে মৌলিক পরিবর্তন আনা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসন, প্রযুক্তি ও কারিকুলাম সবকিছুকে সমন্বিত করে আমরা প্রাথমিক শিক্ষাকে বিশ্বমানে উন্নীত করতে কাজ করছি।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার প্রাথমিক শিক্ষায় একটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে বদ্ধপরিকর। দেশের প্রতিটি শিশুর জন্য আধুনিক, মানসম্মত ও আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

বিদ্যালয় পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজধানীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে চলমান দৃষ্টিনন্দন প্রকল্পের আওতায় কোথায় কী ধরনের ঘাটতি রয়েছে, তা সরেজমিন মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

পরিদর্শনের সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গল্প ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাদের শেখার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। যারা নির্দিষ্ট বিষয়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে, সেসব শিক্ষার্থীর প্রতি বিশেষ নজর দিতে তিনি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের নির্দেশনা দেন।