
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে ‘কৌশলগত স্বাধীনতার’ বার্তা
০৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৮
নিউজ ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের প্রায় চার মাসের মাথায় মালয়েশিয়া হয়ে চীন সফর করেছেন। তাঁর এই সফর ছিল প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। যদিও সফরটি দুই দেশে ছিল, কিন্তু বর্তমান বিশ্বের ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের দিকেই ছিল অনেকের নজর। বিশেষ করে বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারত এ সফরের ওপর গভীর নজর রেখেছিল।
বৈশ্বিক বা আঞ্চলিক—উভয় ক্ষেত্রেই উপমহাদেশের ভূরাজনীতিতে চীন-ভারত সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং চীনের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর কৌশলগত সম্পর্কের ওপর ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির প্রভাব থাকবেই। শুধু প্রভাবই নয়, এটি ভারতের ভূরাজনীতি ও সামরিক বিশ্লেষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় সেটিই প্রতিফলিত হয়েছে।
ওপরের বিষয়গুলো উল্লেখ করার কারণ হলো, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের যে একধরনের অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরে, বিশেষ করে শেখ হাসিনার ১৫ বছরের শাসনামলে তৈরি হয়েছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তার পরিবর্তন লক্ষণীয়। আমার মত হলো, অধিকাংশ সময় আমরা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত নীতি নির্ধারণে প্রয়োজনীয় স্বকীয়তা বা কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারিনি। চীনকে ঘিরে উপমহাদেশের আন্তরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিষয়টি স্পষ্ট। আমি মনে করি, আফগান যুদ্ধ, ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাত এবং চীনের অভূতপূর্ব উত্থান উপমহাদেশের ভূরাজনীতিতে যে পরিবর্তন এনেছে, তা আমাদের মতো দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলছে।