শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নয়নকে ভালো হয়ে যেতে বললেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৬:১০ | আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:৪১

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সদস্যসচিব রবিউল ইসলাম নয়নকে ভালো হয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন,

নয়ন তুমি ভালো হয়ে যাও।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে নির্বাচনীয় প্রচারণায় অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

 

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন,

 

ঢাকা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাস যদি নিজের ভালো চান, তাহলে তার উচিত হবে নয়নকে চুপ করানো।

নয়ন যত কথা বলবে মির্জা আব্বাসের ভোট তত কমে যাবে।

 

নিজের পরিবারের নিরাপত্তার বিষয়ে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, 

আমার বাসার সামনে অনেকেই বাইক নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। আমার পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে আমি শঙ্কিত।

 

তিনি বলেন, 

প্রশাসনকে বলবো আমার পরিবার এবং আমার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে।

 

এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর নির্বাচনী অফিসে যান রবিউল ইসলাম নয়ন। সেখানে গিয়ে তিনি নাসীরুদ্দীনের বাসার ঠিকানা জানতে চান।

নয়ন বলেন, আমি এই এলাকার লোক। নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী যেহেতু এই এলাকার প্রার্থী, সেহেতু তার বাসার ঠিকানা আমার জানা দরকার। নাসীরুদ্দিন যদি আমার প্রতিবেশী হন তাহলে আমার জানাশোনার মধ্যে থাকলো।

তিনি আরও বলেন, নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারী যদি সংসদ সদস্য হয়, তখন আমার কোন সমস্যায় তার কাছে যাওয়া লাগতে পারে। সেবা নেওয়ার জন্য তার কাছে যাওয়া লাগতে পারে। সেজন্যই তার বাসার ঠিকানাটা জানতে চাচ্ছিলাম।

এদিকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

তিনি অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলে কোনো কোনো প্রার্থীর প্রতি বিশেষ দুর্বলতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলে ‘হক ক্যাসেল’ ফ্ল্যাট মালিকদের সঙ্গে নির্বাচনী মতবিনিময় ও গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, আমি শুনেছি সরকারের একটি মহল নির্দিষ্ট কিছু প্রার্থীর তালিকা তৈরি করেছে, যাদের যেকোনো মূল্যে জয়ী করাতে হবে। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আচরণেও কারও কারও প্রতি পক্ষপাতমূলক মনোভাব বা দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েকজন প্রার্থী এখনই এমনভাবে কথা বলছেন যেন তারা জিতেই গেছেন। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের কথা বলা হলেও ভেতরে ভেতরে যে পক্ষপাতিত্ব চলছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জনমত যা-ই হোক, তাদের সংসদে পাঠানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

আরও পড়ুন